শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন

শহিদুন্ননবী জুয়েল হত্যাকান্ডের বছরপূর্তি, মামলা তদন্তে পরিবারের হতাশ

মিঠু মুরাদ, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময়: শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩২ বার পঠিত:

লালমনিরহাটের বুড়িমারী উপজেলায় শহিদুন্নবী জুয়েল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেফতার শহীদুন্নবী হত্যা মামলায় ১১৪ আসামি ও তদন্তে পাওয়া ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি ও পাটগ্রাম থানার পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সেই ১৩৪ জনের মধ্যে বিভিন্ন সময় হাইকোর্ট থেকে জামিনে রয়েছেন ১২১ আসামি। মামলা তদন্তে হতাশা জানিয়েছে শহীদুন্নবীর পরিবার।

নিহত যুবক শহিদুন্নবী জুয়েল রংপুর শহরের শালবন মিস্ত্রীপাড়া এলাকার আব্দুল ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে। তিনি রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র। গত বছর চাকরিচ্যুত হওয়ায় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন তিনি।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী বাজারের বাসকল এলাকায় গুজব তুলে জুয়েলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ টেনে পাটগ্রাম বুড়িমারী মহাসড়কে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়। এ সময় মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধসহ বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।

সেদিন সন্ধ্যা থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা থানা পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দফায় দফায় চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতার ছোড়া ইট পাথরের আঘাতে পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন্ত কুমার মোহন্তসহ ১০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ১৭ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছোড়ে পুলিশ।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর ও পুলিশ সুপার (এসপি) আবিদা সুলতানা অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

তার বাড়ি রংপুর শহরের শালবন এলাকায়। তিনি রংপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুলের সাবেক শিক্ষক ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই রকম আরো সংবাদ দেখতে:
dailybhorerbangla website logo
© All rights reserved © 2020 Dailybhorerbanglanews.Com
Design & Development BY Hostitbd.Com